মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজারহাট সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজে ৩২ পদ ফাঁকা শিক্ষক সংকটে পাঠদান বিপর্যস্ত সাড়ে তিন হাজার শিক্ষার্থী  সারের সংকটের মধ্যে পীরগঞ্জে গুদামে মজুদকৃত সার উদ্ধার তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষায় পরিবার, সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা মিঠাপুকুরে পুকুরে ডুবে ৪ বছরের শিশু হাবিবের মৃত্যু ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রংপুর জেলা কমিটি গঠন মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত: রংপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির পাশে একদল তরুণ রংপুর ট্রাক টার্মিনালে অবৈধ স্থাপনা ও দখলদার উচ্ছেদে সাঁড়াশি অভিযান অসহায় মনছুরা বেগমের পাশে মিঠাপুকুর প্রত্যাশা মানব উন্নয়ন সংস্থা

চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিনিধি:

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ১৩ নম্বর গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশীদসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) উজ্জল কুমার অধিকারী।

মামলা দায়েরের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে এ নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়নি।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা উজ্জল কুমার অধিকারী চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতন, জোরপূর্বক সাদা অফিস প্যাডে স্বাক্ষর নেওয়াসহ বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগ করেছেন। এসব অভিযোগ উল্লেখ করে এর আগে তিনি রংপুর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগও দেন।

লিখিত অভিযোগের পর এবার চেয়ারম্যানসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

অভিযোগকারী সচিবের দাবি, তার সঙ্গে অসদাচরণ ও নির্যাতনের পাশাপাশি জোরপূর্বক অফিসের সাদা প্যাডে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যানসহ মামলায় অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তিদের বক্তব্য জানা যায়নি।

এদিকে, কোনো অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

অভিযোগগুলো তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইভাবে অভিযোগের কোনো অংশ মিথ্যা বা ভিত্তিহীন প্রমাণিত হলে সেটিও তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রমাণ যাচাই করে ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2026 dainikprottasha.com
Design & Development By BDIX NOC